Chiloloba acuta
বালাই
দক্ষিণ ভারতে, উত্তরাঞ্চলের মৌসুমী বায়ুর পরে ধাতব রঙের সবুজ বিটল পোকা কাইলোলোবা অ্যাকুতা সাধারণতঃ ঘাসে পাওয়া যায়। যাহোক, মাঝে মাঝে এটি পার্ল বাজরা, ভুট্টা এবং জোয়ারও খায়, এরা প্রধানতঃ ফুলের পরাগ অনুসন্ধান করে (যার ফলে এটি পরাগ বিটল নামেও পরিচিত)। খাওয়ার সময় এরা ফুল নষ্ট করে ফলে দানা তৈরি হয় না। ফুলে জমা পোকার উচ্ছিষ্টাংশের কারণে ফুল বিবর্ণ হয়ে যায়। যদিও এরা ফুল ও পরাগ খায় বলে মনে করা হয়, প্রয়োজন হলে এরা কুঁড়ি এবং পাতাতেও আক্রমণ করতে পারে। পোকার কীড়া আলগা, ক্ষয়িষ্ণু জৈবপদার্থে পাওয়া যায় এবং এটি ফসলের তেমন ক্ষতি করে না।
চফার বিটলের বয়স্ক কীড়া হিটোরহাবডাইটিস ব্যাকটেরিওফোরা এবং কিছু স্টেইননারেমা স্পেসিস (স্টেইননারেমা সিয়ামকায়েই, স্টেইননারেমা থার্মোফিলাম এবং স্টেইননারেমা আব্বাসি) প্রজাতির প্যাথোজেনিক নেমাটোডসের প্রতি মাঝারি থেকে উচ্চ মাত্রায় সংবেদনশীল। কীড়া নিয়ন্ত্রণে ছত্রাকের কিছু প্রজাতি, উদাহরণস্বরূপ, মেটাহারিজিয়াম অ্যানিসোপ্লি ভালো কাজ করে। নেমাটোড/ কৃমি সংগঠিত পণ্য আপনার এলাকায় পাওয়া যায় কিনা তা খুঁজে বের করুন। মাটিতে নিমের খৈল দিলে পোকা খাওয়া থেকে বিরত থাকে এবং পোকার সংখ্যা হ্রাস পায়।
সম্ভবমতো সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার আওতায় জৈবিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বদা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিন। বয়স্ক পোকা দমন করতে বালাইনাশক ব্যবহার করুন।
চফার বিটল, কাইলোলোবা অ্যাকুতা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়। বয়স্ক পোকা সাধারণত চকচকে ধাতব সবুজ বর্ণের হয়, কিন্তু কিছু প্রজাতিতে লাল বা গাঢ় নীল রঙের বৈচিত্র্য দেখা যায়। এদের দেহ অনিয়মিতভাবে গুচ্ছ লোম দিয়ে আবৃত থাকে, দেহের পাশে এবং নিচের অংশ আরও স্পষ্টভাবে আচ্ছাদিত থাকে। স্ত্রী পোকা উপরের মাটি, পাতা বা পচা কাঠের মধ্যে মাখনের মতো সাদা ডিম পাড়ে। এ পোকার কীড়া সি-আকৃতির ন্যায় দেখতে হয় এবং মাটির জৈব পদার্থ (কাণ্ড, শাখা বা প্রশাখা) খেয়ে বেঁচে থাকে। দক্ষিণ ভারতে, উত্তরাঞ্চলের মৌসুমী বায়ুর পরে ধাতব রঙের বয়স্ক সবুজ বিটল পোকা ঘাসে দেখা যায়। এরা মাঝে মাঝে পার্ল বাজরা, ভুট্টা এবং জোয়ার খেয়ে ফুল ও শস্যের ক্ষতি করে।